বাগেরহাটের নির্বাচনী উত্তাপ , দেখুন কারা পাচ্ছে নির্বাচনের মনোনয়ন , Electoral heat of Bagerhat, see who gets the election nomination, বাগেরহাট-১ (মোল্লাহাট-ফকিরহাট ও চিতলমারী) এ আসন থেকে নির্বাচন করেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। আগামী নির্বাচনে এ আসনে প্রধানমন্ত্রীর ছোট বোন শেখ রেহানা প্রার্থী হতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছে। তিনি নির্বাচন না করলে শেখ হেলাল উদ্দিন বা তার ছেলে শেখ সারহান নাসের তন্ময় প্রার্থী হতে পারেন। শেখ তন্ময় তার বাবার আসনসহ বাগেরহাট সদর আসনে দলীয় সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিচ্ছেন।এ আসনে নির্বাচন করে একাধিকবার পরাজিত হয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির উপদেষ্টা শেখ মজিবর রহমান। বাগেরহাট-২ (বাগেরহাট সদর ও কচুয়া)আসনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রার্থীরা দুই দলের প্রার্থীই নির্বাচিত হয়েছেন। গত দুবার আওয়ামী লীগের প্রার্থী জয় পায়। এ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মীর শওকাত আলী বাদশা ২০০৮ এবং দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। আগামী নির্বাচনেও তিনি মনোনয় চাইবেন বলে শোনা যাচ্ছে। তবে স্থানীয় আওয়ামী লীগের একটি পক্ষ চাইছে, এমপি শেখ হেলাল বা তার ছেলে শেখ তন্ময় প্রার্থী হোক।এ আসনে বিএনপির হয়ে লড়বেন জেলা বিএনপির সভাপতি এমএ সালাম। বয়সে তরুণ এই নেতা নির্বাচনকে সামনে রেখে এরই মধ্যে গণসংযোগ শুরু করেছেন।বাগেরহাট-৩ (রামপাল ও মোংলা) আসনে ১৯৯১ সাল থেকেই আওয়ামী লীগের দখলে রয়েছে। এবার এই আসনে লড়বেন আব্দুল খালেক।বিএনপির হয়ে রামপালের বিএনপির সভাপতি হাফিজুর রহমান তুহিন, মংলা পৌর মেয়র জুলফিকার আলী এবং জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আলি রেজা বাবু মনোনয়ন চাইতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছে।বাগেরহাট-৪ (মোড়েলগঞ্জও শরণখোলা)আসনে ২০০৮ সালের নির্বাচনে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা.মোজাম্মেল হোসেন বিজয়ী হন। আগামী নির্বাচনটি তীব্র-প্রতিদ্বন্দ্বিতা হওয়ায় তিনি এবার মনোনয়ন প্রত্যাশী।এছাড়া মোড়েলগঞ্জ ও শরণখোলায় দলীয় কোন্দলের মধ্যে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হতে এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।